পানি পান করার মতো নিত্যদিনের কাজকেও আপনি কয়েকটি খুব সহজ আদব ও সুন্নাহ অনুসরণের মাধ্যমে সওয়াব লাভের উপায় করে নিতে পারেন। এই আদবগুলোর কিছু এখানে দেওয়া হল - ১ / বসে পানি পান করা মুস্তাহাব। ২ / ডান হাত দ্বারা পানি পানকরা সুন্নত ৩ / পাত্রে যে স্থানে ফাটা রয়েছে ঐখানে মুখ না রাখা। ৪ / তিন শ্বাসে পানি পান করাউত্তম , প্রত্যেকবার পাত্র থেকে মুখ পৃথককরা। ৫ / পাত্রের ভীতরে শ্বাস অথবা ফুঁকদিবেনা। ৬ / পান করা র শুরুতে ﻪﻠﻟﺁ ﻢﺴﺑ ( বিসমিল্লাহ ) বলা আর শেষে ﻪﻠﻟ ﺪﻤﺤﻟﺁ ( আলহামদুলিল্লাহ ) বলা সুন্নত। ৭ / পানি পান করার শেষে এই দোয়া পড়া - " সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা ’ য়ার জন্য , যিনি পানিকে মিষ্টি করেছেন। আমাদের গুনাহের কারনে তিক্ত করেননি। " ৮ / দুধ , চা , এজাতীয় তরল জিনিস পান করার সময় এই দোয়া পড়া - " হে আল্লাহ আমাদের , এই খাবারের মধ্যে বরকত দিন। এবং উহা বৃদ্ধি করে দিন। " ৯ / জমজমের পানি কেবলার দিকে মুখ করে দাড়িয়ে পান করা সুন্নত। ১০ /...
Posts
- Get link
- X
- Other Apps
জামাতের নামাজে যে সুন্নতের বরখেলাফ আমরা করি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম আমরা অনেকে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে কতগুলো সাধারণ ভুল করে থাকি । অনেক আগে থেকে দেখে আসছি এই সাধারণ ভুলগুলো । দীর্ঘদিন ধরে যারা নামাজ পড়েন তাদেরও অনেকে অবলীলায় এ ভুল করে থাকেন । ভুল করতে করতে এমন অবস্থা হয়েছে যে এখন এ ভুলগুলোই তাদের কাছে নিয়মে পরিণত হয়েছে । যদিও এগুলো শোধরানো সংশ্লিষ্ট ঈমামের দায়িত্ব । এই ভুলগুলো প্রতিটি সরাসরি আল্লাহর রাসুল (সা.) এর সুন্নতের খেলাফ । যেমন: দৃশ্য-১ ছেলে বুড়ো যে কেউই নামাজের জন্য মসজিদে যাচ্ছেন । ঘড়ি দেখলেন সময় হয়ে গেছে , তা ছাড়া দূর থেকেও দেখা যাচ্ছে জামাত দাঁড়িয়ে গেছে । জামাতে নামাজ পড়তে হবে তাই দ্রুত হাঁটা শুরু , কোনো কোনো ক্ষেত্রে দ্রুত হাঁটা দৌড়ের কাছাকাছি বা দৌড় দিয়েও অনেকে নামাজে পৌঁছেই হাঁপাতে হাঁপাতে কাতারে দাঁড়িয়ে যান । এই হাঁপানো অবস্থাতেই এক রাকাতের মতো চলে যায় । এটা আল্লাহর রাসুল (সা.) পছন্দ করেননি । তিনি নিষেধ করেছেন । আপনি হয় সময় নিয়ে নামাজ পড়তে যাবেন অথবা ধিরস্থির ও শান্তভাবে হেঁটে গিয়ে যতটুকু জাম...
- Get link
- X
- Other Apps
মানুষের হাক্ব : রাসূলুল্লাহ ( ছাঃ ) বলেন , ‘ যে ব্যক্তি ছোটদের প্রতি দয়া করে না ও বড়দের অধিকার বুঝে না , সে ব্যক্তি মুসলমান নয় ’ ( আবুদাঊদ , তিরমিযী ) অন্য বর্ণনায় আছে , " যে ব্যাক্তি ছোটদের স্নেহ ও বড়দের সম্মান করেনা , সে আমাদের কেউ না " রাসূলুল্লাহ ( ছাঃ ) আরো বলেন ,... আল্লাহ কখনো ঐ ব্যক্তির উপর রহম করেন না , যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি রহম করে না। ( মুত্তাফাক্ব ‘ আলাইহ ) । তিনি বলেন , দয়াশীলদের প্রতি অসীম দয়ালু আল্লাহ রহম করে থাকেন। অতএব হে যমীনবাসীগণ ! তোমরা পরস্পরের প্রতি দয়া কর , আসমানবাসী ( আল্লাহ ) তোমাদের প্রতি দয়া করবেন ’ ( আবুদাঊদ , তিরমিযী ) ।
- Get link
- X
- Other Apps
99 Names of Allah 1. Ar-Rahman 2. Ar-Rahim 3. Al-Malik 4. Al-Quddus 5. As-Salam 6. Al-Mu'min 7. Al-Muhaymin 8. Al-'Aziz 9. Al-Jabbar 10. Al-Mutakabbir 11. Al-Khaliq 12.Al-Bari' 13.Al-Musawwir 14.Al-Ghaffar 15.Al-Qahhar 16.Al-Wahhab 17. Ar-Razzaq 18. Al-Fattah 19. Al-'Alim 20. Al-Qabid 21. Al-Basit 22. Al-Khafid 23. Ar-Rafi' 24. Al-Mu'iz 25. Al-Muzil 26. As-Sami' 27. Al-Basir 28. Al-Hakam 29. Al-'Adl 30. Al-Latif 31. Al-Khabir 32. Al-Halim 33. Al-'Azim 34. Al-Ghafoor 35. Ash-Shakur 36. Al-'Ali 37. Al-Kabir 38. Al-Hafiz 39. Al-Muqit 40. Al-Hasib 41. Aj-Jalil 42. Al-Karim 43. Ar-Raqib 44. Al-Mujib 45. Al-Wasi' 46. Al-Hakim 47. Al-Wadud 48. Al-Majid 49. Al-Ba'ith 50. Ash-Shahid 51. Al-Haqq 52. Al-Wakil 53. Al-Qawee 54. Al-Matin 55. Al-Walee 56. Al-Hamid 57. Al-Muhsi 58. Al-Mubdi' 59. Al-Mu'eed 60. Al-Muhyee 61...
- Get link
- X
- Other Apps
রোজা মানে শুধু ক্ষুধা-তৃষ্ণার কষ্ট নয় সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাওয়া ও পান করা থেকে বিরত থাকা, পরিভাষায় যাকে আমরা বলি- রোজা বা সিয়াম পালন- এটাই রমজানের প্রধান আকর্ষণ। এ মাসটির এমন মহিমান্বিত সম্মানের এটাই প্রথম কারণ। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ রোজার মাহাত্ম্য বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, আদম সন্তানের প্রতিটি আমলের বিনিময়ে দশগুণ থেকে সাতশ’ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু আল্লাহ পাক বলেন, রোজার বিষয়টি ভিন্ন। রোজা আমার জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দেবো। বান্দা আমার জন্যই তার লালসা-প্রবৃত্তি, তার পানাহার ত্যাগ করেছে। এক রোজাদার বান্দার জন্য দু’টি খুশির উৎসব। একটি তার ইফতারের সময়ের খুশি এবং আরেকটি তার মহান রবের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়ের আনন্দ। রোজাদার মানুষের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহ পাকের কাছে মিশক আম্বরের সুঘ্রাণের চেয়েও বেশি খুশবুময়। (বুখারী, মুসলিম) রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন, যে মুসলমান ঈমান এবং ধৈর্যের সঙ্গে পূণ্য কামনায় রমজান মাসজুড়ে রোজা রেখেছে, তার অতীত জীবনে কৃত সব গোনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। (...